Author: Asmania

মঞ্চে মরমিয়া – মানস বন্দ্যোপাধ্যায়

চিত্রগ্রাহক : শুভশ্রী দাস মরমিয়া প্রযোজিত  নাটক লাভ সেক্স অউর  ধোঁকা  সামগ্রিক ভাবেই এই সময়ের নাটক। থিয়েটার বাংলার উজ্জ্বল ঐতিহ্য। যার পথ চলা বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে।  বাংলা থিয়েটারের যে উজ্জ্বল উত্তরাধিকার আমরা বহন করি সেই শিক্ষা আমাদের আধুনিক হতে শেখায়।  প্রতিবাদী হতে শেখায়।  সেই প্রতিবাদ কোনো শেখানো বুলি আওড়ানোর শখ নয়। সেই প্রতিবাদ অন্তরের আগুনে শরীর ঝলসে নেওয়া। প্রতিবাদের ভাষা নাটকের ভাষা হয়েছে বহুকাল। মরমিয়ার এই নাটক প্রতিবাদী , নিয়ম ভাঙার , সামাজিক নিয়মের আগল ঠেলে বাইরে বেরিয়ে আসার নাটক। নাটকের ভাষা , মঞ্চ  ভাবনা , প্রয়োগ সবেতেই এ নাটক সোজাসুজি এই সময়ের কথা বলেছে। আধুনিক প্রকাশ ভঙ্গিতে , যে ভঙ্গি...

Read More

মা হওয়া – সঞ্চিতা দাস

“গাবলু দাঁড়া যাবিনা। কী দুষ্টু রে বাবা তুই! দুপুর    ১.৩০টা বেজে গেলো । এখনও ঘুমোলিনা।” কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলে গেল মিমি। আর ওদিকে বছর তিনেকের গাবলু কথাগুলো শুনে খিলখিল করে হেসে উঠলো । আধো আধো গলায় বলে উঠল, “তাহলে আজকে তোমার আর স্নান করা হবেনা।” কথাটা শুনে রাগতে গিয়েও হেসে ফেলল গাবলুর মিষ্টি। হ্যাঁ পিসিকে এই নামেই ডাকে সে। ঠিক তখনই মিমির বৌরাণী এসে গাবলুকে নিয়ে গেল। আর মৃদু ধমক দিয়ে মিমিকে বলে গেল, “এই জন্যই বলি যখন আমি গাবলুকে স্নান করাই তখন তুমিও স্নানটা সেরে নিও। তাহলে তো আর এতো বেলা হয়না।” মৃদু হাসলো মিমি। কীকরে বোঝাবে যে গাবলু যে বায়না করে, “মিত্তি আমার স্নানের সময় তুমি বাথ রুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে।” তার এই ছোট্ট আবদার ফেলতে পারেনা মিমি। যাইহোক, মায়ের সঙ্গে গাবলু শুতে যাওয়ার পর মিমি এলো নিজের ঘরে। এই সময়টা তার নিজের। ছোটবেলা থেকেই অনেককিছু ভাবনাচিন্তা করে মিমি। আর এখন ওর ভাবনায় শুধুই গাবলু। আজ তার ছুটির দিন। মানে আজ সারাদিন গাবলু আর ও একসাথে। হঠাৎ চিন্তায় ছেদ পড়ল দরজায় টোকা শুনে। মা খেতে দিয়ে ডাকতে এসেছে। বাবার বকুনিও যেন শুনতে পেল।  সত্যি অনেক বেলা হয়ে গেছে । নাহ্ আর ভাবনাচিন্তা করলে চলবেনা। কোনোরকমে সাড়া দিয়ে তাড়াতাড়ি এ্যাটাচড্ বাথরুমের শাওয়ারের তলায় এসে দাঁড়ালো। হঠাৎ মনে পড়ল সেদিন অফিসের নৈঋতা দি বলেছিল, “নিজে বিয়ে কর। নিজের সন্তান, সংসার হলে ও’সব দাদার ছেলে পরের ছেলে হয়ে যাবে।” কিছু বলতে পারেনি মিমি। শুধু এক অজানা আশঙ্কায় বুকটা...

Read More

সমাজ – সুজাতা মিত্র

আজ আমি তোমায় চুমু খাবো প্রকাশ্য রাস্তায়, আমার ঠোঁটের রঙে রাঙিয়ে দেব তোমার ঠোঁট। আমি জানি তুমি কিছু না বললেও,অনেক জোড়া চোখ আমার দিকে ঘৃণা ছুঁড়ে দেবে, তারা বলবে মেয়েটা নিলজ্জ, বেহায়া। কিন্তু আমি জিগ্যেস করবো তাদের, কোথায় থাকো তোমরা ? যখন প্রকাশ্য রাস্তায় দিনের আলোতে বা রাতের অন্ধকারে আমার মতো অজস্র মেয়ে ছিন্ন বস্ত্র নিয়ে রাস্তায় পড়ে থাকে, কোথায় যায় সেই চোখ গুলো যখন তোমাদের মতো শিক্ষিত ‘সুপুরুষ’ রা ভক্ষক হয়ে ওঠে, কোথায় থাকে তোমাদের সমাজ যখন সেই শিশুটি ধর্ষিত হয়ে নিছক মেয়েছেলে বনে যায়। জানি তোমরা অন্ধত্বের শিকার, তাই বলি তোমরা চোখ বন্ধ করেই থাকো আর ধর্ষিত হয়ে যাক পুরো সমাজ টা। আর এই নারী যখন খড়্গ হাতে রক্ষক হবে তখন মুখ লুকিয়ে থেকো ধর্মের পেছনে তোমরা, আজ বরং আমায় চুমু খেতে দাও প্রকাশ্য রাস্তায় । সুজাতা মিত্র লেখা লিখির আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই, এখন নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সামাজিক বিষয় নিয়ে লেখা লিখি করেন। সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশুনো করছেন।...

Read More

সম্পর্কের বিবর্তন – সৃজিতা দাস

যা সব আগে ছিল এখন কেন হয়না ? মিসিংলিংক খালি সম্পর্কটা – আবেগ , প্রতিজ্ঞা সব জীবাশ্বে পরিণত ; দুই প্রান্তই এখন মূক স্তব্ধ প্রতিটি মিলন ক্ষণ। নিশ্চুপ কান্নায় বধির প্রতিক্রিয়া , ভাটায় কর্দমাক্ত হৃদয়ে চঞ্চলতার ঢেউ খেলে না । শিশির রং প্রায়  শুষ্ক আর তার সেই প্রিয় তুলি সেও যে আজ বৃদ্ধ , আগের মতো কিছুই এখন আর হয়না যা সব আগে ছিল এখন কেন হয়না? জীবনের ,মনের খণ্ড বিখণ্ড অধ্যায় যেন ছিন্ন মালার এক একটি ফুল অতীত ছিল অভিমান আর গোঁসা , এখন ঝগড়ায় হার জিৎ নইলেই অহমে ছেঁকা। ভবিষ্যতের জল্পনায় বাস্তবের কিল ,চড় বেঁচে থাকার লড়াইয়ে অতীত গদাইলস্কর , সম্পর্কের বিবর্তনে ধৈর্য্য নিষ্ক্রিয় বর্তমানে বিশ্রামে পঞ্চ ইন্দ্রিয়। সৃজিতা দাস স্কুল জীবনের শেষ আর কলেজ জীবনের শুরু , এই সময় থেকেই কবিতায় হাতেখড়ি। অস্মানিয়ার সাথেও যোগাযোগ সেই সময় থেকেই। সাংবাদিকতার ছাত্রী সৃজিতা আগামীদিনে স্যার হতে চায় স্বপ্ন উড়ানে।...

Read More

“ট্রায়াঙ্গুলার” – রোহিত দে

বিচ্ছিরি সব বিকেল, খারাপ হাতের লেখা, পেপারমিন্ট ঠোঁট, আড়চোখের হঠাৎ দেওয়া অভয়, মনখারাপের বীজগণিত, করিডরের ইন্টিগ্রেশনগুলোর উত্তর যেন কত হয়? এই সমস্ত সমীকরণ কখনই অংকের একচেটিয়া নয়…! “আমি কে?” উন্নয়নের অংশীদার আমি প্রগতিশীল বেকার! টিপিকাল দুষ্টু ছেলে, বাচ্চাবেলায় যাদের সাথে মিশতে মা-বাবা বারণ করেন! সঙ্গে একটু দু-একলাইন কবিতা লিখে সমাজ বদলানোর ঝুটো ধারণাও পোষণ করি! মোদ্দা কথা হাইলি সাসপিশাস!...

Read More

ষ্টুডিও সহযোগী

ব্লগ সহযোগী

ইভেন্ট সহযোগী

Recent Posts

Free WordPress Themes, Free Android Games