Author: Asmania

ছোট্টবেলার আঁকার খাতা…উপাসনা চৌধুরী

ছোটবেলার আঁকার খাতার কথা মনে আছে… মোম রঙ্গের বাক্স… সব রঙ উজাড় করে সিনারী আঁকা, ঐ পাতা গুলোর কথা আমরা বোধ হয় অল্প বিস্তর সবাই মনে রেখেছি… রকমারি সবুজে ঢাকা পাহাড় তার নিচে রঙ বেরং-এর ফুলে ঢাকা বিশাল মাঠ… ঠিক তার পাশ দিয়েই বয়ে চলেছে ঘন নীল নদী, যার বুকে ছায়া ফেলেছে নীল আকাশের গায়ে ভেসে ভেসে থাকা সাদা মেঘ… এই ছবি দেখে কতবার মনে মনে কলার তুলেছি… ক্যামেল-এর রকমারি শেড-এর কল্যানে স্বর্গ এঁকে ফেলেছি ভেবেছি… এটাও ভেবেছি ছবি বলেই এতো সুন্দর… এতো বছর পরে যখন আঁকার খাতা হারিয়ে ফেলেছি (ভাগ্যিস হারিয়ে ফেলেছি মিলিয়ে দেখলে ক্যামেল-এর রঙের শেড আর...

Read More

আমি সাধারণ… – রাহুল রাজ চৌধুরী

যার হাওয়া জল আর ভাতে বেড়ে উঠা, হাফ দেওয়ালের ঘরে আদিখ্যেতা। আমি সেই সাধারণ.. যার শরীরে নাই জাতের হরফ লিখা, অভিন্ন ভিন্ন যার হয়নি শেখা। আমি সেই সাধারণ.. যার জিপারের টানে হত বরাবরি ভুল,আর ক্লাসে লজ্জায় মুখ ঢাকত চুল। আমি সেই সাধারণ যার চানা বুট খাওয়া আর লেইসারে খেলায় থাকে মশগুল। আমি সেই সাধারণ যার নাইকো স্যারের ভেরি গুড রিমার্ক,জীবন পরিমিতির অর্ধবৃত্তের আর্ক! আমি সেই সাধারণ যার দিনের শুরুওয়াত বটতলার শিব মন্দিরে, হাজিরার বায়না হবে বলে, আমি সেই সাধারণ যার মাসের শেষে, গড়ায় দীর্ঘ শ্বাস..  আর হিসেব লাগায় গলায় ফাঁস। আমি সেই সাধারণ যার দিনের শেষ, পাড়ার মোড়ে চায়ে ভেজা বিস্কিটে, আমি সেই সাধারণ যার প্রেমিকা, আসে রাতে স্বপ্নের বেক সিটে! আমি সেই সাধারণ যার এয়ারপোর্টে যাওয়া বারণ, বাসের সীট আর খোলা হাওয়া সাথী কারণ অকারণ। আমি সেই সাধারণ যার মন পড়ে থাকে মায়ের ডাকে.. অস্ফুটে নিবারণ। আমি সেই সাধারণ যার খুশি দুএক মাতারবাড়ির প্যাড়া খেতে,আর মেলাঘরের রথ দেখতে। আমি সেই সাধারণ.. যার গলা ভিজে ফিল্টারের জলে,ঠান্ডা লাগে ফ্রিজের শীতে। আমি সেই সাধারণ যার কাজের ফাঁকে ডাকে নদীর ধার আর বসন্তের কোকিল আমি সেই সাধারণ যার রোদে পোড়া দেহে, শক্তি অনাবিল। আমি সেই সাধারণ যার ক্ষয়ে যাওয়া দেহ ধরবে পাড়ার কয়েক জন,যারা শুদ্ধ মুখে নিথর কানে পৌঁছুবে ‘বল হরি হরি বোল’। আমি সেই সাধারণ যার এক সময়ে মায়ের মালিশ করে দেওয়া ত্বক হবে বটতলার গ্যাসের আগুনে লাল, আমি তুচ্ছ সাধারণ যার পাশ ফিরে হয়তো আপনি ডেইলি ফিরে যান, আমি...

Read More

বিজ্ঞাপনে রবীন্দ্রনাথ – মানস বন্দ্যোপাধ্যায়

তেল, নুন, সাবান, নানান প্রসাধনী,নরম পানীয় – বিজ্ঞাপনের ঘনঘটায় প্রাণ অস্থির। তথাকথিত বোকাবাক্সের রিমোট টেপাটেপি করে যতই আপনি এদিক ওদিক করেন সোনালী ও রুপোলী পর্দার নায়ক – নায়িকাদের হাসি মুখ আপনাকে দেখতেই হবে। সেই কবে এক কবি বলে গিয়েছিলেন – ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’। যা আজ এক প্রকান্ড বাস্তব। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও তেল – সাবানের এই অমোঘ বিজ্ঞাপনী মাধুর্যের অঙ্গ হয়েছিলেন বহু আগেই। সংগৃহীত বহু বিজ্ঞাপনে রবীন্দ্রনাথের স্বহস্তে লিখিত প্রশস্তি বাক্যের আল্পনা মুগ্ধ করে।  রবীন্দ্রনাথ নাকি কাউকে ফেরাতেন না। এমনটাই শোনা যায় বহু রবীন্দ্র ঘনিষ্ঠের ধারা বিবরণিতে। আর বিংশ শতকের শুরুর দিকটা বঙ্গদেশে বেশ অন্যরকম। বিদেশী দ্রব্য বর্জনের হিড়িক চারদিকে।...

Read More

উড়ানের নিবেদন… ‘পরানের গহীন ভিতর’ – রাহুল রাজ চৌধুরী

  এক সন্ধ্যা, যার উদ্দ্যেস্য ছিল প্রয়াত লোকগীতির দিক্‌পাল কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য কে একবার গানে ফিরে দেখা, সেই মঞ্চে যেখানে তিনি ত্রিপুরায় শেষ বারের মতো তাঁর দোহার দল নিয়ে গাইতে এসে ছিলেন। হ্যাঁ সেই রবীন্দ্র ভবনের মঞ্চ যা আবার গত তিরিশে এপ্রিল তাঁর গান ও ভাবনায়  মেতে উঠেছিল। উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, “ভুবন মাঝি” ছবির পরিচালক ফাকরুল আরেফীন খান, অভিনেত্রী অপর্ণা ঘোষ, সহ অভিনেতা মাজনুন মিজান, শুভাশিস ভৌমিক, বিশিষ্ট সাংবাদিক মুন্নি সাহা, শিল্পী শুভ প্রসাদ নন্দী মজুমদার ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী ও সংগঠক হাসান আরিফ। বিকেলের প্রথম পর্বের শুরুতে পরিবেশিত হয় কালিকাপ্রসাদের শেষ সিনেমার(সঙ্গীত পরিচালনা) সেই “তোমারি...

Read More

তুমি আসবে বলে – সোমেন ঘোষ

তুমি আসবে বলে  ক্লান্ত নির্জন সন্ধ্যায় , পথ চেয়ে বসে আছি তোমার অপেক্ষায়।  বৃষ্টির জলে পথ ধুয়ে দিয়েছে , চাঁদের কিরণ পথ দেখাচ্ছে।  আমি শুধু একা নই  গোটা প্রকৃতিও তোমায় আহবান জানাচ্ছে।  তুমি আসবে যখন ; দুটি হৃদয় এক হবে ও তাদের স্পন্দন একই সুরে কথা বলবে , দুটি মানুষ একসাথে পথ চলবে। সাত জন্মের সঙ্গী হবে। সোমেন ঘোষ সোমেন ঘোষ  এই সময়ের ঝকঝকে এক  তরুণ।  ভালোবাসে কবিতা লিখতে।  ভালোবাসে লেখালিখির অন্যান্য মাধ্যমকেও আবিষ্কার করতে।  আসমানিয়ায় সোমেনের এই প্রথমবার লেখা।...

Read More

ষ্টুডিও সহযোগী

ব্লগ সহযোগী

ইভেন্ট সহযোগী

Recent Posts

Free WordPress Themes, Free Android Games