সামনে পুজো আসছে ,তো অমৃতা চট্টোপাধ্যায় হওয়ার আগের পুজো এবং পরের পুজোর মধ্যে কি কোনো তফাৎ আছে?
অমৃতা  : ছোট বেলা থেকেই ভিড়ভাট্টা পছন্দ হয় না, খুব ভিড়ে চলাফেরা করাটা একটু ডিফিকাল্ট, সে জন্য পুজোর সময় কাছের কোনো প্যান্ডেলে গিয়ে আড্ডা মারাটাই আমার কাছে বেশি পছন্দের।
অন স্ক্রিন মহালয়ায় অমৃতা চট্টোপাধ্যায়কে দুর্গা হিসেবে কি কোনোদিন  দেখতে পাবে দর্শক?
অমৃতা : যদি কোনোদিনও সেরম সুযোগ পাই,তাহলে অব্যশই করবো।
 আপনার মায়ের বহু বছরের স্বপ্ন বুটিক “তুস্তি “,তৈরি করতে আপনার কতটা কন্ট্রিবিউসন আছে?
অমৃতা : কোনো কিছু শুরু করার পেছনে,অনেকদিন ধরে একটা প্ল্যান চলতে থাকে,সেই রকমই হঠাৎ করেই তুস্তি শুরু করা,সেই পথ চলতে চলতে এবছর তুস্তি দুটো এক্সহিবিশন করেছে, যা মানুষের মনে সাড়া ফেলেছে।
পুজোর প্রেম?
অমৃতা : পুজোর প্রেম তো সকলেরই হয়,অষ্ঠমীর অঞ্জলি দিতে দিতে যে প্রেম সেটা পুরো টাই বাঙালি,এটা সবারই হয়ে থাকে আলাদা করে বলার কিছুই নেই।
থ্রি স্মোকিং ব্যারেলস ডারবান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ সিলেকশনসে  ছিলো, সেটার অভিজ্ঞতা যদি একটু আমাদের বলেন ?
অমৃতা : এই ছবি প্রচন্ড খেটে প্রচুর রিসার্চ করে কাজটা করা,প্রথম বছর সেন্সর এর কিছু সমস্যার জন্য হয়নি ,তারপরে ডারবান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ সিলেক্টেড,দুটো স্ক্রিনিংয়ে পুরো হাউস প্রত্যেকে দেখেছে,এবং ওখানকার সিনে ক্রিটিক রাও প্রচুর প্রশংসাও করেছেন,সব মিলিয়ে খুব ভালো অনুভুতি.
প্ৰথম কাজ আনবার কা আজাব কিস্সা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির সাথে,সেটার অভিজ্ঞতা?
অমৃতা : একদম প্রথমে অডিশন দিতে যাওয়া কাজটার জন্য, তারপর হঠাৎ শুটের আগেরদিন ফোন আসে আমার কাছে, তারপর শুটিং শুরু হয় হাজরার ওখানে একটি  বাড়িতে, খুব ভালো এক্সপেরিয়েন্স, তাছাড়া নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির সাথে যেকদিন শুট হয়েছে প্রুভৎ আড্ডা হয়েছে, খুব ভালো মানুষ উনি।
অটো নম্বর ৯৬৯৬ এভাবে বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ল , এ নিয়ে কি  বলবেন?
অমৃতা : সেই সময়ে দাঁড়িয়ে ওটার  থেকে বেটার স্ক্রিপ্ট ছিল না ,তাছাড়া তখন প্রযোজক এবং পরিচালক এর মধ্যে বাকবিতন্ডা  হয় ফলে ছবির প্রমোশন করা হয়নি,প্রিমিয়ার হয়নি।সে জায়গায় দাঁড়িয়ে এখন হলে ছবিটা করতাম না।
ইন্ডাস্ট্রি অনুযায়ী শোনা   যায় সোহাগ সেন আপনার মা,মানে হাতে ধরে কাজ শিখিয়েছেন।
অমৃতা : সোহাগ দির সাথে প্রথম ওয়ার্কশপ করতে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয় এরপর চাবিয়ালাতে একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে বেশ ভালো লেগেছে তারপর থেকে ভয় টা কেটেছে।
 ইন্ডাস্ট্রির আর্ট ছবির এসথেটিকে নায়িকা কে টাইপকাস্ট করে দেওয়া হয়।
অমৃতা : সেক্ষেত্রে মেগার ক্ষেত্রে ব্যাপার টা ইনফাইনাট,আমার কাছেও প্রচুর অফার এসেছে,কিন্তু ছবি বাছাই করেই আমি কাজ করি,এখনো আমি এতটা ওয়ার্কহলিক হইনি।
 জি বাংলা অরিজিনালস কতটা গুরুত্বপূর্ণ কেরিয়ারের ক্ষেত্রে।
অমৃতা : ভীষণ ইমপ্যাক্ট ফেলেছে, প্রথমে জানলা রিলিজ করেছিল, সেখান থেকে খুব কাঙ্খিত ফিডব্যাক পাইনি,সেক্ষত্রে জি বাংলা অরিজিনালস এ অন্য বসন্ত খুব ভাক ফিডব্যাক পেয়েছি,এবং এখনও অনেকে বলছে যেটা খুব ভালো লাগার বিষয়
অমৃতা চট্টোপাধ্যায় খুব একটা পিআর বা পার্টিতে যায়না কারণ ?
অমৃতা : কারণ আমার নিজেকে খুব আউট প্লেস লাগে ,খুব কম সংখ্যক বন্ধু ইন্ডাস্ট্রিতে,তাছাড়া যাঁরা প্রপার নিমন্ত্রণ করেন তাদের ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করি।
আপকামিং প্রোজেক্ট…
অমৃতা :  তুষাগনি বলে একটি কাজ হয়েছে, চাবিওয়ালা, থ্রি স্মোকিং ব্যারেলস এবছর রিলিজ করবে,এছাড়া লর্ড অফ অর্ফ্যান বলে একটি কাজ করলাম।। অভয় দেওলের সাথে জে এল 50 বলে ছবির শ্যুট চলছে।

ইন্টারভিউ নিয়েছেন পীযূষ ঘোষ।
ছবি : রোহিত দে
Facebook Comments