Month: August 2017

পার্থসারথী – মানস বন্দ্যোপাধ্যায়

মানুষের মনে চিরকালই বঞ্চিত মানুষের জন্য একটা সফট কর্নার থাকে। আর বীরপূজার চিরায়ত অভ্যাসে আমরা চিরকালই সেই মানুষটার গলায় বিজয়মাল্য তুলে দি যে বঞ্চনার পাহাড় ঠেলে জীবনযুদ্ধের ডার্ক হর্স হয়ে আলটিমেটলি শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা  তুলে নেয়। মহাভারতের মহাকাব্য অনেকটা যেন সেই সুরেই বাধা। মহাভারতের অসংখ্য সংস্করণ এবং তার একাধিক ব্যাখ্যা থেকে যে যুক্তিনিষ্ঠ ঐতিহাসিক কাহিনী চিত্র উঠে আসে তা  কিন্তু কাউন্টার আটাকের গল্প।  মহাভারতের ঘটনা ধারা যেভাবে এগিয়েছে তাতে পাণ্ডবদের জন্য পাঠকের মনে একটা নরম জায়গা আসতে বাধ্য । পাঁচ ভাই। ছোটবেলাতেই বাবাকে হারিয়েছে। প্রথম থেকেই একাধিক চক্রান্তের স্বীকার। মহাযুদ্ধের অনেক আগেই জতুগৃহে পুড়ে মারা যাবার কথা যাদের। যতবার মাথা তুলতে গেছেন হস্তিনাপুরের অপরাজেয় রাজশক্তি ছলে বলে...

Read More

বিজয়ী – অর্নব মন্ডল

ঘটনাটা যখন ঘটে আমি তখন ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। ইংলিশ এ অনার্স পড়ছি বিদ্যাসাগর কলেজে। দিনকে দিন তখন আমাদের কয়েকজনের মাথার যন্ত্রনার বিষয় হয়ে উঠছিল এই ইংলিশ অনার্স টা। কিন্তু কি আর করা যাবে তখন আর চেঞ্জ করার উপায় ছিল না। রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে। সামনেই মিড টার্ম পরীক্ষা। আর তাছাড়া বিষয় চেঞ্জ করার কথা বাড়িতে বললেই কৈফিয়ত দিতে হবে ‘কেন ? কি অসুবিধে হচ্ছে, সবাই পারলে তুই পারবি না কেন?’ ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ভয়েই আমরা কয়েকজন ‘যা হবে দেখা যাবে’ রকমের মনোভাব নিয়ে টিকে ছিলাম। একে তো এই চাপ তার ওপর আমাদের কলেজে ছিলেন রজতাভ দত্ত নামে একজন দজ্জাল প্রফেসর। ছাত্রের মনোবলকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার কাজে ওনার যেন ডক্তরেট করা ছিল। আমরা আড়ালে ওনাকে আর ডি এক্স বলে ডাকতাম। আমাদের ডিপার্টমেন্টে জয় বলে একটা ছেলে পড়ত। ওই একমাত্র ছেলে ছিল যে ওনাকে খুব একটা পাত্তা দিতনা। বলা বাহুল্য আর ডি এক্স নামটা জয়েরই দেওয়া। কিন্তু সৌভাগ্যবশতই হোক বা দুর্ভাগ্যবশত জয়ের সাথেই সবথেকে বেশি শত্রুতা ছিল ইংরেজির। ও যে ইংরেজি তে কাঁচা ছিল তাও না। ভাল Article লিখত। ইংরেজি গল্পের বই পড়ত অনেক। কিন্তু পড়াশুনো ও করত না। আমার সাথে একই মেসে থাকত তাই খুব কাছ থেকে চিনেছিলাম আমি ওকে। আজ এখানে কাল সেখানে খালি টো টো করে ঘুরে বেড়াত। কাজেই আর ডি এক্স এর (নাকি রজতাভ বাবু বলব?) বকুনিও রোজ ওর জন্যেই বরাদ্দ থাকত। তাতে অবশ্য খুব একটা পরিবর্তন হত না। ‘চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি’ প্রবাদের সার্থক উদাহরণ আমরা...

Read More

কলঙ্কিনী মেঘেরা – মোনালিসা আচার্য্য

সময়ের কথা সময় বলবে এই ভাবনার বশে ভাঙা কুলোয় ধান ভেঙে তাই বৃথা রক্ত ঝরে। খোলা জানলায় রাজত্বে যখন কলঙ্কিনী মেঘেরা, আলোর আশায় পকেটবন্দি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। নিরাপত্তা রক্ষিরাই আজ সীমারেখা পেরিয়ে, লালসারূপ নিয়েছে দেখো বিবেকবোধ হারিয়ে। কত শত মৃত্যু আজ কালরাত্রির বশে, প্রতিটি রাত তবু ধর্ষিত হয়ে অধরাই হয়ে থাকছে। ধর্ষিতা নামে আখ্যায়িত আজ ছোট্ট একটি কুড়ি, তবু আজও অধরাজাত পিতৃতুল্য ধর্ষণকারী। মৃত্যুবরণ নিয়েছে আজ ছোট্ট চারা গাছটি, বট বৃক্ষ ছায়ার বদলে দিয়েছে নাম ধর্ষণী। কুলুপ এটে নিদ্রাগত সমস্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী, ফিরে এসো আগুন হয়ে পুড়িয়ে যেও সমস্ত ঘাটতি। মোনালিসা আচার্য্য সাংবাদিকতার ছাত্রী মোনালিসা কবিতা লেখেন।  লেখেন ফিচারসহ অন্যান্য ধরণের লেখাও।  ঝরঝরে লেখার হাত।  প্রতিবাদে দৃঢ়। মোনালিসার কলম এখন আসমানিয়ায় নিয়মিত।...

Read More

Advertisements

ষ্টুডিও সহযোগী

ব্লগ সহযোগী

ইভেন্ট সহযোগী

Recent Posts

Free WordPress Themes, Free Android Games