প্রথমেই একটা কথা সবার উদ্দেশ্যে জানিয়ে দেওয়া ভাল। এটা কোনো স্বপ্ন নয়। কেন এ কথা বললাম সেটা কেউ কেউ বুঝতে পারবে আবার কেউ কেউ পারবে না। এরপর যা বলব সেটা আমার কথা। রঙ চড়িয়ে বলছি কিনা সেটা অনুমান করার দায়িত্ব আপনাদের। অনিন্দ্য কে মনে আছে? সেই যে স্বপ্ন দেখা পাগল পাগল পোলা টা। আরে আমার মত দেখতে! আচ্ছা বাদ দিন। শুরু থেকেই বলি বরং।

দৌড়োতে দৌড়তে খুব তাড়াতাড়ি করে ট্রেনের কামরায় ঢুকল অনিন্দ্য। তাড়াতাড়ি করে গিয়ে বসল নিজের সীটে। ও জানে সাঁতরাগাছি তে হেঁটে রেল লাইন পেরোনো টা খুব গুরুতর অপরাধ। পুলিশ ধরলে জেল অবধি হতে পারে। তাও কেমন যেন একটা Thrill আসে ওর লাইন টা পেরোতে। আর তাছাড়া Over-bridge দিয়ে যেতে বড্ড সময় লাগে। কাজেই…

বাইরে কিছু একটা চিৎকার শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছুক্ষন ধরেই। সম্ভবত আবার পুলিশ ধরেছে কাউকে লাইন পেরোনোর সময়। ও একবার প্রায় ১৭ জন কে একসাথে ধরে থানায় নিয়ে যেতে দেখেছিল। যেভাবে লোকজন এর কিচির মিচির শোনা যাচ্ছে আজও সেরকম কিছুই হয়েছে মনে হচ্ছে।

এই ট্রেনটায় ও সাধারনত যায় না। তার একমাত্র কারন হল এই ট্রেনটায় সীট Reserve করে যেতে হয় কাজেই বাড়তি খরচ। ৩ ঘন্টার রাস্তা। তার জন্য Reserve করে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। কিন্তু আজ ও এই ট্রেনেই বাড়ি যাচ্ছে। কেন? কারন হল রঞ্জা। স্কুল জীবনের প্রেম। তারপর বাইরে চলে যাওয়া। দুরত্ব বাড়া। তারপর ব্রেক আপ! Classic প্রেমের গল্প যাকে বলে।

বার বার ঘড়ি দেখছিল অনিন্দ্য। ট্রেন ছাড়ার সময় হয়ে গিয়েছে। তাহলে কী রঞ্জা আর আসবে না আজ? বাড়ি কি যাবে না ক্রীস্টমাস এর ছুটি তে? এরকম তো হওয়ার কথা ছিল না। ঠিক এই সময়ই কামরায় ঢুকে এল আমার… থুড়ি… অনিন্দ্যর এক্স গার্লফ্রেন্ড। মানে যার জন্য এত অপেক্ষা, এত ভাবনা চিন্তা। এখন পাঠক হয়তো ভাবতেই পারেন যে কথা নেই বার্তা নেই Reserve train এর ওই কামরাতেই উঠে এল রঞ্জা? এটা একটু অতিকাল্পনিক হয়ে যাচ্ছে না? এখন ঘটনা হল অনিন্দ্যর বেস্ট ফ্রেন্ড সন্দীপন রেলের অফিসে চাকরি করে। খুব ভাল পোস্টে। বন্ধুর প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে একটুও আপত্তি করেনি সে। লিস্ট দেখে সীট নাম্বার বের করে ঠিক তার পরের সীট টাই বুক করেছে অনিন্দ্যর নাম এ। কিন্তু সে কথা থাক। সব কথা বলতে গেলে গল্প বড় হয়ে যাবে।

ইতিমধ্যে ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে মিনিট দশেক হয়ে গেছে কিন্তু গলা দিয়ে একটা আওয়াজ বের করতে পারে নি অনিন্দ্য। তার প্রথম কারন হল ভয় এবং দ্বিতীয় কারন হল লজ্জা। ভয় কারন শেষবার রঞ্জা কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিল বলে ওর বাবাকে দিয়ে বলে পাঠিয়েছিল অনিন্দ্য নাকি রাস্তায় ওঁর মেয়ের সাথে অসভ্যতা করে। তারপর সে এক বিশ্রী কান্ড! আর লজ্জার কারন হল আগের বার এর স্বপ্নটা। এটাও স্বপ্ন দেখছে কিনা বোঝার জন্যে নিজের হাতটায় চিমটি কেটে দেখে নিল একবার অনিন্দ্য। ব্যাথা লাগছে। অতএব…

“চিমটি কাটছিস কেন নিজেকে?”

অনিন্দ্যর মুখটা এমনিই খুব ভোলা ভালা। ওই যে বললাম না আমার মত পুরো। তো রঞ্জাবতীর কন্ঠে এই প্রশ্ন শুনে ও থতমত খেয়ে কি উত্তর দেবে সেটা বুঝতে না পেরে হাঁ করে বসে রইলো। তারপরেই আবার প্রশ্নবান এলো ওর দিকে।

–     কীরে গাঁজা খেয়েছিস নাকি? ওরকম ভোলেবাবার মত তাকিয়ে আছিস কেন?

–     না তো! আমি খাই না ওসব।

–     হ্যাঁ সেরকমই জানতাম। ভাবলাম নতুন ধরেছিস হয়তো!

–     নাহ!

–     তা তুই আজ এই ট্রেনে কেন?

–     আসলে আজ… মানে… এই সময়েই কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তাই আগে থেকে টিকিট কেটে রেখেছিলাম।

–     কাজ মানে? কি করছিস এখন?

–     একটা IT Farm এ রয়েছি।

–     বাহ! Good For you.

–     তুই কি করছিস?

অনিন্দ্য খুব ভালো করেই জানে রঞ্জা কী করছে। তাও জিজ্ঞেস করল আবার। কথা থামানো চলবে না।

–     আপাতত খড়গপুর যাচ্ছি। বাড়ি।

কি আপদ! হেঁয়ালির স্বভাব টা গেল না এখনও ওর।  সেতোওদেখতেইপাচ্ছে।

–     হ্যাঁ সে তো দেখতেই পাচ্ছি। চাকরি-বাকরি কিছু করছিস?

–     হ্যাঁ ওই আর কি! করছি একটা ছোটো খাটো।

ইচ্ছে করে বার বার প্রশ্নটা এড়িয়ে যাচ্ছে দেখে আর ঘাঁটালো না অনিন্দ্য। অনেক কিছু জিজ্ঞেস করার আছে। কিন্তু কোথাও যেন একটা আটকাচ্ছে ওর। কেন আটকাচ্ছে ও জানে না।

এমন সময় রঞ্জা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,  “বিয়ে কবে করছিস?”

–     কেন বলতো?

–     আরে অনেকদিন ভালো বিয়ে বাড়ি তে খাওয়া হয় নি।

–     নিজেই কর না তাহলে।

–     হুম। ছেলে পেলেই করব?

–     ছেলে পাস নি এখনও?

–     নাহ। ভালো ছেলেপিলের সংখ্যা খুব কমে গেছে। বুঝলি?

মানে টা কী? অনিন্দ্যর এবার একটু বিরক্ত লাগল? ও কি খারাপ ছেলে? নাকি ছেলেই নয়?

–     তারপর? তোর কী খবর? প্রেম করছিস নাকি? মেয়ে পেলি?

–     পেয়েছিলাম।

–      Past tense কেন?

–     কারন এখন আর নেই তার সাথে কিছু।

–      Break up?

–     হুম।

–     কেন?

–     ছাড় না ওসব।

–     দেখ এখনো ২ ঘন্টা যেতে হবে ট্রেনে। চুপচাপ বসে থেকে কী হবে? তার চেয়ে বরং বল তোর কথা। শুনি।

–     নাহ!

–     কেন?

–     কারন এক হাতে তালি বাজে না। আমি বলতেই পারি। কিন্তু তোকেও বলতে হবে।

–     কী বলতে হবে?

–     আমি যা যা জিজ্ঞেস করব।

–      Um.. Okay. Fine by Me.

–     ঠিক আছে। বল কী জানতে চাস?

–     মেয়েটার সাথে ব্রেক আপ হল কেন?

–     কারন আমার সাথে সম্পর্কের আগে ওর আরও একটা সম্পর্ক ছিল। সেটা থাকাকালীন মিথ্যে বলে আমার সাথে সম্পর্কে জড়ায় এবং আমার সাথে থাকাকালীন আরও দু’জনের সাথে প্রেম শুরু করে।

–      Fuck!

–      Yes!

–     এরকমও হয়?

–     হুম। সেরকমই তো দেখলাম। এবার আমি?

–     আচ্ছা কর।

–      Why did you do it?

–     মানে? আমি তোর সাথে থাকতে থাকতে আরও দু’জনের সাথে কবে…

–     ওটার কথা বলছি না উফফ!

–     তাহলে?

–     কাকুকে দিয়ে আমার বাবা কে অপমান না করালে হচ্ছিল না? কেন করলি এরকম?

একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল রঞ্জা। তারপর বলল, “Because ওটাই একমাত্র রাস্তা ছিল।”

–     মানে? কিসের রাস্তা?

–     তোকে আমার থেকে দূরে সরানোর! আমি জানি তুই তোর বাবা কে খুব ভালোবাসিস। কাজেই এই অপমানটা সহ্য করতে পারবি না তুই। আর আমার সাথে আর যোগাযোগ করতে পারবি না।

–     কিন্তু কী লাভ হল এটা করে? মানে কী লাভ হল সব শেষ করে?

–     শেষ আমি করিনি। তুই করেছিলি। মনে করে দেখ।

–     হ্যাঁ because you loved someone else.

–      Yes I did.

–      Was I not good enough for you?

–     ভালোবাসা কী ওভাবে হয় নাকি? তুই নিজেও জানিস হয় না। হ্যাঁ আমি অন্য একজনের প্রতি দুর্বল হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমি তোকে ভালোবাসতাম। আমাদের দুজনের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে গিয়েছিল। understanding কমে গিয়েছিল। তারপরেই তুই বললি you want break up.

–     হ্যাঁ আমি বলেছিলাম। কারন জোর করে তোকে আমার সাথে থাকতে দিতে আমি চাই নি। আমার মনে হয়েছিল ওই ছেলেটার সাথে তুই বেশী ভালো থাকবি।

–     এটাই তো সমস্যা অনি। তুই ভেবে নিয়েছিলি আমি কীসে ভালো থাকবো! You didn’t even fight for me. যাকে ভালোবাসলি তার জন্যে একটু লড়াই করতে পারলি না?

–     হ্যাঁ আর তার প্রতিশোধ তুই নিলি কাকু কে দিয়ে বাবা কে অপমান করিয়ে।

–     হ্যাঁ নিলাম তো! Because I hated you for leaving me at that time.

কোলাঘাট স্টেশন টা একটু বড় এই রুটের অন্যান্য স্টেশনের চেয়ে। বেশ কয়েকজন লোক উঠল ওখানে। ২ টো ছেলে এসে বসল ওই কামরায়। কাজেই কথায় একটু বাধা পড়ল দু’জনের।

পুরোনো ঘা এর জায়গাটা হঠাৎই যেন জ্বলছে খুব অনিন্দ্যর। বুঝতে পারল পুরোনো কাসন্দি ঘাঁটলে কষ্ট বাড়বে বই কমবে না। রঞ্জা এখন চলন্ত ট্রেনের বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে। কিছুক্ষন চুপ থাকার পর অনিন্দ্য বলল, “বল আর কী জানতে চাস?”

পাশে বসে থাকা দু’জন ছেলে এবার খুব অদ্ভুত ভাবে তাকাল অনিন্দ্যর দিকে। অনিন্দ্য খেয়াল করল সেটা। তারপরেই ওদের দিকে ফিরে বলল, “কিছু বলবেন?”

ছেলেদু’টো কিছু বলল না। শুধু অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে রইলো ওর দিকে।

রঞ্জা বলল, “ছাড় না ওদের! বল কি বলছিলি?”

–     হুম। আর কিছু জানতে চাওয়ার আছে তোর?

–     হ্যাঁ ওই যে বিয়ে কবে করবি ওটা?

–     ইয়ার্কি মারিস না। বল না।

–     সত্যি রে। বল না।

–     খুব জানার শখ না?

–     হ্যাঁ তো!

–     রঞ্জা?

–     হুম?

–     আমার একটা Confession আছে।

–     তাই? কী শুনি? তুই Pregnant?

–      Shut up! শোন না।

–     বল বল। শুনছি।

–     আজকে এই ট্রেনে তোর সাথে দেখা হওয়াটা কাকতালীয় না। মানে আমি টিকিট টা এভাবেই…

–     জানি।

–     জানিস?

–     হুম জানি।

–     কী করে?

–     সন্দীপন।

–     ও তোকে বলেছে?

–     বলতে বাধ্য হয়েছে।

–     মানে? কেন?

–     কারন আমার আজ বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল না। ও আমায় ফোন করে বলল যে তুই আমার সাথে দেখা করার জন্য এত কষ্ট করছিস। তাই তোর টিকিট আর আমার টিকিট একসাথেই কেটেছে ও।

–     বুঝলাম না ঠিক? মানে তুই জানতিস আমি আজ দেখা করব তোর সাথে? তাও তুই হ্যাঁ বলেছিস?

–     হুম। বলেছি!

–     কেন?

–     সেটা তো তোর Guess করার কথা ছাগল! -_-

–     আমি… মানে…

–     অনি তুই Afterlife এ বিশ্বাস করিস?

–     নাহ! কেন হঠাৎ?

–     আমি করি। আর Soul mate? Do you believe in Soul Mate?

–      I… I believe in the concept… I guess…

–     হুম। কোথায় এলাম রে?

–     জানিনা। তবে আর বেশি বাকি নেই পৌঁছোতে।

–     এই তোর ফোন নাম্বারটা বল।

–     আমার কাছে তোর নাম্বার Saveআছে। আমি Call করে নেব।

–     ঠিক তো?

–     হ্যাঁ রে।

মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছিল অনিন্দ্যর। অনেকদিন এই আনন্দটা অনুভব করে নি ও। চোখের কোনে জল প্রায় এসে গিয়েছিল বলে। “একটু আসছি আমি” বলেই বাথরুমের দিকে ছুটল ও। চোখে মুখে জল দিয়ে যখন ফিরল ও তখন ওই কামরায় একটা মানুষ কম। এবং যে মানুষটা কে ওর সবচেয়ে বেশী দরকার সেই মানুষটাই নেই। ট্রেন থেকে নামার সময় হয়ে গিয়েছে। আর ১০ মিনিট বাকি নামতে। বাথরুমে গেল নাকি?

কামরায় বসে থাকা ছেলেদু’টো কে জিজ্ঞেস করতে যাবে এমন সময় ফোন টা বেজে উঠল ওর। রঞ্জার নাম্বার।

–     কোথায় গেলি তুই হঠাৎ

–     হ্যালো? অনিন্দ্যবাবু বলছেন?

–     আপনি কে? রঞ্জা কোথায়?

–     আমি সাঁতরাগাছি থানার ওসি বলছি।

–     বলুন। এই ফোন আপনার কাছে কী করে?

–     আমরা একটা বডি পেয়েছি আজ সাঁতরাগাছি স্টেশনে। লাইন পেরোতে গিয়ে মালগাড়ির নীচে…

আর শুনতে পারল না অনিন্দ্য। ফোনটা কেটে দিল। বুকের ভেতরটায় হাতুড়ি পড়ছে। ওর মাথা ঘুরছে। কি হচ্ছে এসব? আবার স্বপ্ন? আবার সব টা ঘেঁটে যাবে? এত কথার পরে? এই কারনেই কী স্টেশনে চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছিল ট্রেন ছাড়ার সময়। কিন্তু আজ পুরো ট্রেনে যে ওর সাথে কথা বলে গেল সে তাহলে…

হঠাৎই রঞ্জার শেষ কয়েকটা কথা মনে পড়ে গেল অনিন্দ্যর। Afterlife… Soul Mate নিয়ে কথা বলছিল রঞ্জা। তাহলে কি সত্যি Afterlife বলে কিছু আছে? সেটা জানার একটাই উপায় রয়েছে। আজকের দিন টাকে আগেরবারের মত মিথ্যে হতে দেওয়া যাবে না। চলন্ত ট্রেনের দরজার কাছে এগিয়ে এল অনিন্দ্য। সাহস করে একটা লাফ দিতে পারলেই… আবার সব ঠিক হয়ে যাবে। আবার রঞ্জাকে পাবে ও। একটা খুব জোর নিশ্বাস নিয়ে চোখ বন্ধ করে খোলা দরজা দিয়ে সামনে পা বাড়ালো অনিন্দ্য।

–     এই ছাগল এটা কী হচ্ছে? মরতে চাস নাকি?

একটা হ্যাঁচকা টানের পর অনিন্দ্য দেখল ও দরজা থেকে সরে এসেছে অনেকটাই। রঞ্জা কে দেখে ভুত দেখার মত চমকে উঠল ও।

রঞ্জা আবার বলল, “কি হল রে তোর আবার?”

–     তুই তো? মানে… ফোন…

–     আরে আর বলিস না ফোনটা কেউ ঝেড়ে দিয়েছে আমার। স্টেশনেই হয়েছে সম্ভবত। এই খেয়াল করলাম।

–     তুই… তুই কোথায় গিয়েছিলি?

–     Washroom গিয়েছিলাম রে। কেন?

অনিন্দ্য এখনো ঘোরটা থেকে ঠিক বেরোতে পারছিল না। রঞ্জার গালে হাত দিয়ে বোঝার চেষ্টা করল ও সত্যি মানুষ তো?

–     অ্যাই! কি হচ্ছে কী চলন্ত ট্রেনে? আর আমাদের এখনও Patch up হয় নি কিন্তু।

অনিন্দ্য কিছু না বলে জোর করে বুকে টেনে নিল রঞ্জা কে।

বলেছিলাম না… Classic প্রেমের গল্প।

 

অর্নব মন্ডল

অর্নব মন্ডল

এই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্লগার।  নিয়মিত গল্প লেখেন , প্রতিবাদ করেন না না সামাজিক অবক্ষয়ের। অর্ণব  দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আসমানিয়ার সাথে। অর্ণব বর্তমানে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্র।  আকাশবাণী কলকাতার প্রেজেন্টার।  

Facebook Comments